নিজস্ব প্রতিবেদক | হুদহুদ নিউজ
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সহ-সভাপতি এবং ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সাবেক সভাপতি মাওলানা শফিকুল ইসলাম ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শনিবার (১৮ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টায় তিনি ইন্তেকাল করেন।
তাঁর ইন্তেকালে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিস নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর সভাপতি মাওলানা ফাতীহ মুহাম্মাদ সোলাইমান।
এক শোকবার্তায় তিনি বলেন, “মাওলানা শফিকুল ইসলাম আমাদের অত্যন্ত আপন একজন বড় ভাই ছিলেন। আল্লাহ তাআলা তাঁকে উত্তম চরিত্র, বিনয়, আন্তরিকতা ও মানুষের সঙ্গে সুন্দর আচরণের অনন্য গুণে ভূষিত করেছিলেন। ব্যক্তিগতভাবে তাঁর সঙ্গে যতবার মিশেছি, কখনো এমন কোনো কথা বা আচরণ দেখিনি, যা আমাকে কষ্ট দিয়েছে। বরং তিনি ছিলেন হাসিখুশি, মিশুক এবং সবার প্রতি আন্তরিক।”
তিনি আরও বলেন, “অল্প কিছুদিন আগে মীর আহমাদুল্লাহ ভাইয়ের অফিসে আমরা একসঙ্গে দুপুরের খাবার খেয়েছিলাম। আমাদের চেয়ে সিনিয়র হওয়ার কারণে নারায়ণগঞ্জের বহু স্মৃতি, সংগ্রাম ও অভিজ্ঞতার কথা তিনি আন্তরিকতার সঙ্গে শোনাতেন। তখন কে জানত, সেটিই হবে তাঁর সঙ্গে আমাদের শেষ সাক্ষাৎ!”
মাওলানা ফাতীহ মুহাম্মাদ সোলাইমান বলেন, “মাওলানা শফিকুল ইসলামের ইন্তেকালে ইসলামী আন্দোলন একজন নিবেদিতপ্রাণ সংগঠক ও আদর্শবান কর্মীকে হারালো। তাঁর দীনি খেদমত, আন্তরিকতা ও কর্মনিষ্ঠা সংশ্লিষ্ট সবার কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।”
শোকবার্তার শেষে তিনি মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বলেন, “আল্লাহ তাআলা মাওলানা শফিকুল ইসলামকে ক্ষমা করুন, তাঁর কবরকে জান্নাতের বাগানসমূহের একটি বাগান বানিয়ে দিন, তাঁকে জান্নাতুল ফিরদাউসের সর্বোচ্চ মর্যাদা দান করুন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবার, আত্মীয়-স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের ধৈর্য ধারণের তাওফিক দান করুন।”
তিনি এ সময় এই দোয়াও পাঠ করেন—
اللهم اغفر له وارحمه وعافه واعف عنه وأسكنه فسيح جناتك. آمين.
উল্লেখ্য, মাওলানা শফিকুল ইসলাম ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সাবেক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে তিনি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করছিলেন। তাঁর ইন্তেকালে রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

