ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) সোমবার (৩০ মার্চ) জানিয়েছে, নৌবাহিনীর কমান্ডার আলিরেজা তাংসিরি গুরুতর আঘাতের কারণে নিহত হয়েছেন। রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইএনএ প্রকাশিত বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
এর আগে, ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ দাবি করেছিলেন, ইসরায়েলি বাহিনীর একটি ‘নির্ভুল ও প্রাণঘাতী অভিযান’-এ তাংসিরি এবং আরও কয়েকজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম জানায়, হামলাটি বন্দর নগরী বন্দর আব্বাস-এ সংঘটিত হয়। এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালী বন্ধ করার পরিকল্পনায় তাংসিরির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।
ইরান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থাও সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। খবর অনুসারে, মার্কিন বাহিনী সম্ভাব্য এক মাসব্যাপী যুদ্ধের পর স্থল অভিযানের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। সাবেক সামরিক কর্মকর্তা ও বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন, উপসাগরীয় দ্বীপগুলো দখল করা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। যদিও সৈন্যদের দ্রুত নামানো সম্ভব, পরে তারা সহজেই লক্ষ্যবস্তু হয়ে পড়তে পারেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সম্ভাব্য হামলা শুরু হলে প্রথমে ইলেকট্রনিক যুদ্ধ চালানো হবে — রাডার ও যোগাযোগ ব্যবস্থা অচল করার জন্য। এরপর বিমান হামলা করে ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করা হবে। লক্ষ্য হতে পারে খারগ, আবু মুসা, কেশম এবং আশপাশের ছোট দ্বীপসমূহ, যেখানে ইরান ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র সংরক্ষণ করে।
দ্বীপে সরাসরি সমুদ্রপথে অভিযান ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায়, হেলিকপ্টার বা বিশেষ বিমান ব্যবহার করে দ্রুত সৈন্য নামানোর সম্ভাবনা বেশি। বিশেষ হেলিকপ্টার যেমন ভি-২২ অসপ্রে, চিনুক বা ব্ল্যাক হক ব্যবহার করে দ্রুত অভিযান চালানো যেতে পারে।
আর/

