হরমুজ, পারস্য উপসাগর ও লোহিত সাগরে বাণিজ্য বন্ধের হুঁশিয়ারি ইরানের; যুক্তরাষ্ট্রের নতুন সেনা মোতায়েনের প্রস্তুতি

যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ ও সামরিক উপস্থিতি অব্যাহত থাকলে কঠোর পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিল তেহরান, পাল্টা চাপ ও কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়াচ্ছে ওয়াশিংটন

by ABDUR RAHMAN

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | হুদহুদ নিউজ

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা নতুন করে চরমে পৌঁছেছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক বিবৃতিতে দেশটির সামরিক কেন্দ্রীয় কমান্ড সেন্টারের প্রধান আলী আবদুল্লাহি কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন
banner

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি অবরোধ অব্যাহত রাখে এবং ইরানের বাণিজ্যিক জাহাজ ও তেল ট্যাংকারের জন্য নিরাপত্তাহীনতা তৈরি করে, তবে তা যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের পূর্বসূচনা হিসেবে গণ্য হবে।

তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী পারস্য উপসাগর, ওমান সাগর এবং লোহিত সাগরে কোনো ধরনের বাণিজ্যিক আমদানি-রপ্তানি চলতে দেবে না।

এদিকে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র আগামী কয়েক দিনের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে আরও হাজারো সেনা পাঠানোর পরিকল্পনা করছে।

ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্ভাব্য নতুন কূটনৈতিক সমঝোতার আগে ইরানের ওপর চাপ বাড়ানোর অংশ হিসেবেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান আলোচনায় অগ্রগতি না হওয়ায় হরমুজ প্রণালির উত্তেজনা আরও বেড়েছে।

মার্কিন প্রশাসন জানিয়েছে, তারা কেবল তখনই আলোচনায় ফিরবে যখন ইরানের প্রতিনিধিদল পূর্ণ ক্ষমতা নিয়ে চুক্তি সম্পন্ন করতে আসবে। একই সঙ্গে নতুন আলোচনায় হরমুজ প্রণালির নৌচলাচল সম্পূর্ণ উন্মুক্ত রাখার শর্তও দিয়েছে ওয়াশিংটন।

এই পরিস্থিতিতে কূটনৈতিক আলোচনা আবারও পাকিস্তানের ইসলামাবাদে শুরু হতে পারে বলে জানা গেছে। তবে এখনো কোনো নির্দিষ্ট তারিখ চূড়ান্ত হয়নি।

এদিকে উত্তেজনার প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের ওপরে পৌঁছেছে, যা বৈশ্বিক অর্থনীতিতে নতুন চাপ তৈরি করেছে।

আর/

banner

এ জাতীয় আরো সংবাদ