আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের আসন সমঝোতা চূড়ান্ত হয়েছে। টানা কয়েক দিনের আলোচনা ও দরকষাকষির পর শনিবার রাতেই দলগুলো সিদ্ধান্তে পৌঁছায়। জোটের শীর্ষ নেতাদের উপস্থিতিতে রোববার বিকেল অথবা সোমবারের মধ্যে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে।
জোট সূত্র জানায়, সমঝোতার অংশ হিসেবে জামায়াতে ইসলামী মোট ১৯০টি আসন নিজেদের জন্য রাখছে এবং বাকি ১১০টি আসন শরিক দলগুলোর মধ্যে বণ্টনে সম্মত হয়েছে। এর মধ্যে ১৭০টি আসন জামায়াত তাদের নিজস্ব জরিপ অনুযায়ী ‘কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ’ বিবেচনায় রেখেছে। আরও ২০টি আসন নিয়ে পর্যবেক্ষণ চললেও সেসব আসনেও জামায়াত প্রার্থী দেওয়ার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশকে ৪০টি, জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) ৩০টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসকে ১৫টি, খেলাফত মজলিসকে ৭টি, এলডিপিকে ৪টি, এবি পার্টিকে ৩টি এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টিকে (বিডিপি) ২টি আসন ছাড় দেওয়ার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে।
তবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আরও কয়েকটি আসনের দাবি জানিয়ে আসছে। এ নিয়ে জামায়াতের সঙ্গে একাধিক বৈঠক হয়েছে। জনপ্রিয়তা ও প্রার্থীদের যোগ্যতা বিবেচনায় আরও কিছু আসনে ছাড় দেওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, “আসন সমঝোতা মোটামুটি চূড়ান্ত হয়েছে। আজ অথবা আগামীকাল আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হবে।”
এনএএস/

