টানা চার সপ্তাহ আল-আকসায় বন্ধ জুমার নামাজ, রাস্তায় নামাজ আদায়েরও বাধা-‘ষড়যন্ত্র’ অভিযোগ হামাসের

পুরনো শহরে কড়া নিরাপত্তা, আল-আকসায় মুসল্লিদের প্রবেশে বাধা; উত্তেজনা বাড়ছে জেরুজালেমে

by ABDUR RAHMAN

মুসলিম বিশ্বের অন্যতম পবিত্র স্থান আল-আকসা মসজিদ টানা চার সপ্তাহ ধরে বন্ধ রেখেছে ইসরায়েলি বাহিনী। ফলে ধারাবাহিক চারটি জুমার নামাজে অংশ নিতে পারেননি ফিলিস্তিনি মুসল্লিরা। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর ইসরায়েলি হামলার পর থেকেই মসজিদটিতে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যত চালু রয়েছে।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) জুমার নামাজকে কেন্দ্র করে জেরুজালেমের পুরনো শহর ও আল-আকসার প্রবেশপথগুলোতে বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়। সাধারণ মুসল্লিদের ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। এমনকি আশপাশের রাস্তায় নামাজ আদায়ের চেষ্টা করলেও পুলিশি বাধার মুখে পড়েন শত শত মানুষ।

বিজ্ঞাপন
banner

ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের দাবি, যুদ্ধ পরিস্থিতিতে জনসমাগম এড়াতে দেশটির হোম ফ্রন্ট কমান্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ওয়াকফ দপ্তরের সীমিতসংখ্যক কর্মচারী ও পাহারাদার ছাড়া অন্য কাউকে মসজিদে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। একই সঙ্গে খ্রিস্টানদের পবিত্র স্থান ‘চার্চ অফ দ্য হলি সেপালকার’ও বন্ধ রাখা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, পুরনো শহরের বিভিন্ন এলাকায় নামাজ পড়তে গেলে মুসল্লিদের ছত্রভঙ্গ করে দেয় ইসরায়েলি পুলিশ। কেউ কেউ বাধ্য হয়ে ছোট ছোট মসজিদে নামাজ আদায় করছেন, আবার সিলওয়ান এলাকার রাস আল-আমুদে কিছু মুসল্লি রাস্তায় দাঁড়িয়েই জুমার নামাজ আদায় করেন।

এদিকে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস এক বিবৃতিতে এ সিদ্ধান্তকে ‘গভীর ষড়যন্ত্র’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। সংগঠনটির দাবি, নিরাপত্তার অজুহাতে আল-আকসাকে মুসল্লিশূন্য করে পুরো নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করছে ইসরায়েল। তাদের মতে, এই পদক্ষেপ মুসলিম উম্মাহর ধর্মীয় বিশ্বাসের ওপর সরাসরি আঘাত এবং অঞ্চলের উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে।

আর/

banner

এ জাতীয় আরো সংবাদ