নিজস্ব প্রতিবেদক | হুদহুদ নিউজ
শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলায় ১১ দলীয় জোটের ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে গণমিছিলের প্রস্তুতিকালে হামলার অভিযোগ তুলেছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস। এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ।
বুধবার (৫ আগস্ট ২০২৬) এক বিবৃতিতে তিনি এ দাবি জানান। বিবৃতিতে বলা হয়, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ১১ দলীয় জোটের উদ্যোগে ‘গণরায়ের, গণভোটের রায় বাস্তবায়নের’ দাবিতে দেশব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে জাজিরায় শান্তিপূর্ণ গণমিছিলের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের দাবি অনুযায়ী, জাজিরা উপজেলা মডেল মসজিদের সামনে থেকে ১১ দলীয় জোটের নেতাকর্মীরা কর্মসূচির প্রস্তুতি নেওয়ার সময় বিএনপির নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে এসে হামলা চালান।
বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়, হামলাকারীরা ১১ দলীয় জোটের ব্যানার ছিনিয়ে নেয় এবং লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায়। হামলার ভিডিও ধারণ করতে গেলে কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মীর ওপরও হামলা করা হয় বলে দাবি করা হয়েছে।
দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, এ ঘটনায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের জাজিরা উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা শহিদুল ইসলাম গুরুতর আহত হয়েছেন। এছাড়া ১১ দলীয় জোটের আরও কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়।
বিবৃতিতে মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচিতে এ ধরনের হামলা গণতান্ত্রিক রাজনীতির জন্য উদ্বেগজনক। রাজনৈতিক বিরোধ নিরসনে সন্ত্রাস, হামলা ও শক্তি প্রয়োগ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
তিনি হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে সরকার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, হামলাকারীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া না হলে ভবিষ্যতে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির দায় সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে নিতে হবে।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রচার সম্পাদক হাসান জুনাইদের পাঠানো ওই বিবৃতিতে রাজনৈতিক সহাবস্থান ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়।

