সংস্কৃতি মন্ত্রীর বক্তব্যে উদ্বেগ: প্রাথমিক শিক্ষায় ধর্মীয় শিক্ষার অগ্রাধিকার দাবি বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের

সংগীত শিক্ষক নিয়োগ পরিকল্পনা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে আপত্তি, ‘ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত’ অভিযোগ

by ABDUR RAHMAN

আজ ৩ এপ্রিল শুক্রবার এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বলেছেন, সাম্প্রতিক সময়ে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম ঘিরে সরকারের কিছু উদ্যোগ ও বক্তব্য গভীর উদ্বেগজনক। তিনি মনে করেন, এসব পদক্ষেপ দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানের ধর্মীয় অনুভূতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক হয়ে উঠছে।

বিবৃতিতে তিনি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংগীত শিক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনার সমালোচনা করে বলেন, একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের শিক্ষাব্যবস্থার মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত শিশুদের নৈতিকতা, চরিত্র গঠন ও ধর্মীয় মূল্যবোধে শিক্ষিত করে তোলা। ধর্মীয় শিক্ষাকে উপেক্ষা করে অন্য বিষয়কে অগ্রাধিকার দেওয়া ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বিভ্রান্ত করতে পারে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

বিজ্ঞাপন
banner

তিনি সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরীর সাম্প্রতিক বক্তব্য ও ভূমিকার কঠোর সমালোচনা করেন। তার মতে, মন্ত্রীর কিছু বক্তব্য ও কর্মকাণ্ড ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের অনুভূতিতে আঘাত করছে এবং এতে সামাজিক সম্প্রীতি ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, পহেলা বৈশাখ বা তথাকথিত মঙ্গল শোভাযাত্রার মতো কার্যক্রমকে কোনোভাবে ধর্মীয় রূপ দিয়ে সাধারণ মানুষের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না। একটি বহুধর্মী রাষ্ট্রে কোনো নির্দিষ্ট সংস্কৃতি বা আচার কারও ওপর চাপিয়ে দেওয়ার অধিকার নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

বিবৃতিতে তিনি সংস্কৃতি মন্ত্রীকে এসব কার্যক্রম থেকে সরে আসার আহ্বান জানান এবং সতর্ক করে বলেন, জাতীয় স্বার্থ, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও সামাজিক স্থিতিশীলতার প্রশ্নে কোনো ধরনের আপস করা হবে না। একই সঙ্গে তিনি সংশ্লিষ্ট সবাইকে সংযম, দায়িত্বশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বজায় রাখার আহ্বান জানান।

banner

এ জাতীয় আরো সংবাদ