ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনে করছে, এখন টিভি ও বাসসকে ঘিরে সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো দেশের গণমাধ্যম অঙ্গনে এক অশুভ সংস্কৃতির ইঙ্গিত দিচ্ছে। একই সঙ্গে দলটি সাংবাদিকদের হয়রানি বন্ধের দাবি জানিয়েছে।
দলের কেন্দ্রীয় প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক শেখ ফজলুল করীম মারুফ এক বিবৃতিতে বলেন, “কোনো ধরনের ব্যাখ্যা চাওয়া বা আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে কাউকে চাকরিচ্যুত করা অমানবিক ও স্বেচ্ছাচারী আচরণ।”
তিনি উল্লেখ করেন, বাসসের প্রধান সম্পাদকের সঙ্গে যে আচরণ করা হয়েছে তা অত্যন্ত দুঃখজনক। তার বিরুদ্ধে যদি কারও যৌক্তিক অভিযোগ থেকে থাকে, তবে তা নিষ্পত্তির জন্য যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া রয়েছে। সেই পথ অনুসরণ না করে জনমত উসকে দিয়ে কাউকে অপদস্থ করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
অন্যদিকে, সরকার গঠনের দিনেই এখন টিভির চার সাংবাদিককে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানোর ঘটনাকেও দলটি উদ্বেগজনক বলে মন্তব্য করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়, যে কারণ দেখিয়ে ছুটি দেওয়া হয়েছে তা অস্পষ্ট এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মনে হচ্ছে। ব্যাখ্যা চাওয়া বা আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া ন্যায়সংগত নয়।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, উভয় ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। একই সঙ্গে সাংবাদিক মাহমুদ রাকিব, আজহারুল ইসলাম, মুজাহিদ শুভ ও বেলায়েত হোসাইনের বাধ্যতামূলক ছুটি অবিলম্বে প্রত্যাহার করে তাদের চাকরিতে পুনর্বহালের জোর দাবি জানানো হয়।
আর/

