আন্তর্জাতিক ডেস্ক | হুদহুদ নিউজ
লেবাননভিত্তিক সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহর মহাসচিব নাঈম কাসেম ইরানের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে দেশটিকে ‘গর্ব ও মর্যাদার প্রতীক’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
তেহরানে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফের কাছে পাঠানো এক বার্তায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
বার্তায় নাঈম কাসেম দাবি করেন, ইরানের কূটনৈতিক তৎপরতা ও আলোচনার ফলেই ইসরাইল লেবাননসহ বিভিন্ন ফ্রন্টে সামরিক অভিযান বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, এটি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সমঝোতার একটি গুরুত্বপূর্ণ ও মৌলিক শর্ত ছিল।
তিনি আরও বলেন, ইরান হিজবুল্লাহ, প্রতিরোধ আন্দোলন এবং লেবাননের জনগণকে দীর্ঘদিন ধরে সহায়তা করে আসছে, কিন্তু এর বিনিময়ে তারা কিছুই গ্রহণ করেনি।
নাঈম কাসেমের মতে, ইরান তাদের নিজস্ব সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাধীনতা দিয়েছে এবং ভূমি রক্ষার পাশাপাশি সমাজ পুনর্গঠনেও সহায়তা করেছে।
চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন, বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরাইলি বোমা হামলার পর ইরান সরাসরি পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে জায়নবাদী সত্তার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে।
তিনি বলেন, ইরান একই সঙ্গে যুদ্ধের হুমকি ও রাজনৈতিক চাপ মোকাবিলা করে বড় ধরনের ত্যাগ স্বীকার করছে।
নাঈম কাসেম আরও দাবি করেন, লেবানন ও প্রতিরোধ আন্দোলনের প্রতি ইরানের অবদান দীর্ঘদিনের এবং তা নিঃস্বার্থ।
তিনি বলেন, “ইরান গর্ব ও মর্যাদার এক প্রতীক।”
হিজবুল্লাহ প্রধানের এই মন্তব্য এমন সময়ে এসেছে, যখন মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার প্রেক্ষাপটে ইসরাইলি সামরিক কার্যক্রম নিয়ে নানা রাজনৈতিক আলোচনা চলছে।
তার এই বক্তব্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি করেছে।
সূত্র: আল জাজিরা
আর/

