ক্যামব্রিজ কারিকুলামের সঙ্গে ধর্মীয় শিক্ষার সমন্বয়, চালু হলো আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট

রাজধানীর জলসিঁড়িতে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু; ভিডিও কনফারেন্সে দেশের আরও সাতটি প্রতিষ্ঠানের ভিত্তিপ্রস্তর উন্মোচন করলেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

by ABDUR RAHMAN
চালু হলো আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট

অনলাইন ডেস্ক | হুদহুদ নিউজ

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট (এআইআইআই) আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে। সোমবার রাজধানীর জলসিঁড়ি আবাসন প্রকল্প এলাকায় নবগঠিত প্রতিষ্ঠানটির উদ্বোধন করেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। একই অনুষ্ঠানে ভিডিও টেলিকনফারেন্সের মাধ্যমে বরিশাল, সাভার, বগুড়া, সিলেট, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা ও যশোরে স্থাপিতব্য আরও সাতটি আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউটের ভিত্তিপ্রস্তরও উন্মোচন করেন তিনি।

বিজ্ঞাপন
banner

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানিয়েছে, আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে ধর্মীয়, নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধের সমন্বয় ঘটিয়ে দক্ষ, আদর্শবান ও নেতৃত্বগুণসম্পন্ন নাগরিক গড়ে তোলার লক্ষ্যেই নতুন এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এখানে ক্যামব্রিজ কারিকুলামভিত্তিক ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষা কার্যক্রমের পাশাপাশি ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার ওপরও সমান গুরুত্ব দেওয়া হবে।

আইএসপিআর আরও জানায়, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই বিভিন্ন মানসম্মত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনার মাধ্যমে দেশের শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নে অবদান রেখে আসছে। বর্তমান সময়ের চাহিদা বিবেচনায় কেবল আধুনিক শিক্ষা নয়, শৃঙ্খলা, দেশপ্রেম, নৈতিকতা এবং মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন প্রজন্ম গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা থেকেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট শিক্ষা, আদর্শ এবং ধর্মীয়-নৈতিক মূল্যবোধ চর্চার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে। প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীরা কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে জ্ঞান, শৃঙ্খলা, দেশপ্রেম ও মানবিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ হয়ে দেশ ও জাতির উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলেও প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়। পাশাপাশি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিসরে দক্ষ ও দায়িত্বশীল নেতৃত্ব তৈরিতেও এ প্রতিষ্ঠান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে উল্লেখ করা হয়।

অনুষ্ঠানে সেনাসদরের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, বিভিন্ন ডিভিশনের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি), ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা, প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিশিষ্ট ব্যক্তি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

banner

এ জাতীয় আরো সংবাদ