সন্ধ্যায় দোকান বন্ধের নির্দেশে ব্যবসায় ধস, ক্ষতির মুখে খুচরা বিক্রেতারা

জ্বালানি সাশ্রয় উদ্যোগে বিক্রির সময় কমে অর্ধেকে নেমেছে আয়, সময় বাড়ানোর দাবি ব্যবসায়ীদের

by ABDUR RAHMAN

অনলাইন ডেস্ক | হুদহুদ নিউজ

জ্বালানি সাশ্রয়ের অংশ হিসেবে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বিপণিবিতান ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বন্ধের সরকারি সিদ্ধান্তে খুচরা ব্যবসায় বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। বিক্রির সময় দুই থেকে তিন ঘণ্টা কমে যাওয়ায় ছোট ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা আর্থিক চাপে পড়েছেন।

বিজ্ঞাপন
banner

ব্যবসায়ীদের মতে, দিনের সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয় সন্ধ্যার পর। কিন্তু নতুন সময়সীমার কারণে সেই গুরুত্বপূর্ণ সময়টিই হারিয়ে যাচ্ছে। ফলে প্রতিদিনের বিক্রি প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে, অথচ দোকান ভাড়া, কর্মচারীর বেতনসহ অন্যান্য খরচ অপরিবর্তিত রয়েছে।

রাজধানীর বিভিন্ন মার্কেট ব্যবসায়ীরা জানান, বিক্রি ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমে গেছে। বিশেষ করে পোশাক, ইলেকট্রনিক্স ও প্রসাধনী পণ্যের দোকানগুলো বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। কর্মজীবী ক্রেতারা অফিস শেষে কেনাকাটার সুযোগ না পাওয়ায় ক্রেতা উপস্থিতিও কমে গেছে।
ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতারা বলছেন, এই পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে খুচরা খাতের ওপর বড় ধাক্কা লাগবে এবং লাখো মানুষের জীবিকা হুমকিতে পড়বে। তারা দোকান খোলা রাখার সময় অন্তত রাত ৮টা পর্যন্ত বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন।

অন্যদিকে, পাইকারি বাজারেও এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। খুচরা বিক্রি কমে যাওয়ায় পাইকারি পর্যায়ে পণ্যের চাহিদা কমছে এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় স্থবিরতা তৈরি হচ্ছে। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, জ্বালানি সাশ্রয় জরুরি হলেও এর দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক প্রভাব বিবেচনা করা প্রয়োজন।

আর/

banner

এ জাতীয় আরো সংবাদ