আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে মাহে রমজানের পবিত্রতা বজায় রাখার আহ্বান জানান তিনি।
ডা. শফিক বলেন, মাহে রমজান রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের সওগাত নিয়ে আমাদের মাঝে সমাগত। এ মাসের শেষ ১০ দিনের মধ্যে রয়েছে পবিত্র লাইলাতুল কদর নামে একটি বরকতময় মহিমান্বিত রাত, যা হাজার মাসের চেয়েও উত্তম। রমজান মাস তাকওয়া, সহনশীলতা চর্চা ও পরস্পরের প্রতি সহানুভূতি প্রদর্শনের মাস।
জামায়াত আমির বলেন, পবিত্র রমজান উপলক্ষে দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নের বিষয়ে নতুন সরকারকে বিশেষ নজর দিতে হবে। ফ্যাসিবাদের দোসর অসাধু ব্যবসায়ীরা এখনো সমাজের বিভিন্ন স্তরে সক্রিয় রয়েছে। তারা যেন নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য ও ইফতার সামগ্রীর মূল্য বাড়াতে না পারে, সে লক্ষ্যে বর্তমান সরকারকে কঠোর ও কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।
তিনি বলেন, অসাধু ব্যবসায়ীদের সব ধরনের সিন্ডিকেট ভেঙে দিয়ে সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও পরিকল্পিত বাজারব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। দরিদ্র ও নিম্নআয়ের মানুষ যেন স্বস্তির সঙ্গে মাহে রমজানের সিয়াম পালন করতে পারে, সে বিষয়েও প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে হবে। প্রয়োজনে ভর্তুকির মাধ্যমে চাল, ডাল, তেল, মাছ, গোশত, শাকসবজি, চিনি, খেজুর, ছোলা, মুড়িসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সব পণ্যের মূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে হবে।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দিনের বেলায় হোটেল-রেস্তোরাঁ বন্ধ রাখা এবং সব প্রকার অশ্লীলতা ও বেহায়াপনা বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আমি বর্তমান সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। একই সঙ্গে দেশবাসীর প্রতি পবিত্র মহাগ্রন্থ আল-কুরআনের শিক্ষার আলোকে সমাজ পুনর্গঠনের লক্ষ্যে মাহে রমজানকে আত্মশুদ্ধি ও প্রশিক্ষণের মাস হিসেবে গ্রহণ করার উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি।
আবুআ/

