সাগর-রুনি হত্যা: সাংস্কৃতিক অঙ্গনের এক ব্যক্তির যোগসূত্রের ক্লু

নাম-পরিচয় প্রকাশ করেননি চিফ প্রসিকিউটর; তথ্য যাচাই চলছে, নজরদারিতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি

by ABDUR RAHMAN
সাগর-রুনি হত্যা

অনলাইন ডেস্ক | হুদহুদ নিউজ

সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের প্রায় সাড়ে ১৪ বছর পেরিয়ে গেলেও মামলাটির তদন্ত শেষ হয়নি। এর মধ্যেই তদন্তে সাংস্কৃতিক অঙ্গনের এক ব্যক্তির সঙ্গে ঘটনার যোগসূত্রের নতুন ক্লু পাওয়ার কথা জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

বিজ্ঞাপন
banner

রোববার (৩০ আগস্ট) নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান, সাগর-রুনি হত্যা মামলাটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা তদন্ত করছে না। মামলাটির তদন্ত করছে অন্য একটি সংস্থা।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, কোনো মামলার তদন্তের সময় সংশ্লিষ্ট বা অন্য কোনো ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত তথ্য কিংবা গুরুত্বপূর্ণ কোনো ক্লু সামনে আসা অস্বাভাবিক নয়। সাগর-রুনি হত্যা মামলার ক্ষেত্রেও এমন কিছু তথ্য পাওয়া গেছে।

তার ভাষ্য, ওই তথ্যের ভিত্তিতে সাংস্কৃতিক অঙ্গনের সংশ্লিষ্ট এক ব্যক্তির সঙ্গে সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের যোগসূত্রের ইঙ্গিত মিলেছে। বিষয়টি এখন যাচাই-বাছাই করে দেখা হচ্ছে এবং ওই ব্যক্তির ওপর নজরদারিও রয়েছে।

তবে ঠিক কী ধরনের তথ্য বা প্রমাণের ভিত্তিতে ওই ব্যক্তির সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের যোগসূত্র পাওয়া গেছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাননি আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, আরও তদন্তের পর যদি নির্ভরযোগ্য বা প্রামাণিক তথ্য পাওয়া যায়, তাহলে তা সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্তকারী সংস্থা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ—পিবিআইয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জানানো হবে।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া বাসায় খুন হন বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের সাংবাদিক সাগর সরওয়ার ও তার স্ত্রী মেহেরুন রুনি। হত্যাকাণ্ডের পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও মামলাটির তদন্ত শেষ হয়নি। এ নিয়ে বিভিন্ন সময়ে প্রশ্ন ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

এদিকে সাগর-রুনি হত্যা মামলার বিচারিক এখতিয়ার নিয়েও অবস্থান স্পষ্ট করেছেন চিফ প্রসিকিউটর। তিনি বলেন, এটি একটি ‘ইনডিভিজুয়াল মার্ডার কেস’ বা সাধারণ ব্যক্তি হত্যার মামলা। ফলে এর বিচার সংশ্লিষ্ট দায়রা আদালতেই হবে।

আমিনুল ইসলামের বক্তব্য অনুযায়ী, সাগর-রুনি হত্যা মামলার বিচার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। মামলাটি সাধারণ ফৌজদারি বিচারব্যবস্থার আওতাধীন সংশ্লিষ্ট আদালতেই নিষ্পত্তি হবে।

আর/

banner

এ জাতীয় আরো সংবাদ