আন্তর্জাতিক ডেস্ক | হুদহুদ নিউজ
যুক্তরাষ্ট্রের নতুন দফার সামরিক হামলার পর ইরানের বুশেহর প্রদেশে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) অ্যারোস্পেস ফোর্সের একটি স্থাপনায় বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডের দাবি সামনে এসেছে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিত তথ্য প্রকাশ করেনি ইরানি কর্তৃপক্ষ।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একাধিক ভিডিও এবং ওপেন-সোর্স গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অগ্নিকাণ্ডের খবর প্রকাশিত হয়েছে। তবে ভিডিওগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্র জানায়, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের ওপর ইরানের হুমকির জবাবে দেশটির বিভিন্ন সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে অভিযান চালানো হয়েছে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) দাবি করেছে, এ অভিযানে ইরানজুড়ে ৮০টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, এই অভিযানের উদ্দেশ্য ছিল ইরানের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করা এবং কৌশলগত নৌপথে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
অন্যদিকে, ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম বুশেহর ও আশপাশের এলাকায় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটার বিষয়টি নিশ্চিত করলেও কোন কোন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কিংবা হতাহতের কোনো তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ করেনি।
অগ্নিকাণ্ডের খবরে বিভিন্ন বিশ্লেষকের ধারণা, আইআরজিসির ক্ষেপণাস্ত্রের গুদাম, ড্রোন অবকাঠামো অথবা কমান্ড স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু হয়ে থাকতে পারে। তবে এ বিষয়ে ওয়াশিংটন বা তেহরান—কোনো পক্ষই আনুষ্ঠানিক মূল্যায়ন প্রকাশ করেনি।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া রাতের আগুনের ভিডিওগুলো নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা হলেও সেগুলোর সত্যতা এখনো স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
সূত্র: গালফ নিউজ
আর/

