অনলাইন ডেস্ক | হুদহুদ নিউজ
দলের ভেতর থেকে সহায়তা না পাওয়ার অভিযোগ তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিএনপির সাবেক নেতা ইসহাক সরকার।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা করা হয় এবং এর পেছনে দলের কিছু অনুপ্রবেশকারী সদস্য জড়িত ছিল বলে দাবি করেন।
তিনি বলেন, ওই সময় থেকে তাকে এবং তার পরিবারকে নানাভাবে হয়রানির মুখে পড়তে হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন মাধ্যমে তাদের হেনস্থা করা হলেও তিনি কোনো বিচার পাননি। একাধিকবার বিচার চাইলেও তা কার্যকর হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।
ইসহাক সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি এক শীর্ষ নেতার কাছে নিজের দুর্দশার কথা জানাতে গেলে প্রত্যাশিত সহযোগিতা তো পানইনি, বরং অপমানজনক আচরণের শিকার হন। ওই নেতা তার কথা শুনতেও রাজি হননি এবং তাকে তিরস্কার করে সেখান থেকে চলে যেতে বলেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, নিজের নির্দোষিতা যাচাইয়ের অনুরোধ জানালেও তা আমলে নেওয়া হয়নি। বরং তিনি দাবি করেন, তাকে এমনভাবে তাড়িয়ে দেওয়া হয় যা তার জন্য অত্যন্ত কষ্টদায়ক ছিল এবং সেই অভিজ্ঞতা তিনি ভুলতে পারেননি।
আওয়ামী লীগ সরকারের সময় আন্দোলন-সংগ্রামে ওই নেতার উৎসাহের কথাও উল্লেখ করেন ইসহাক সরকার। তিনি বলেন, যাকে অনুসরণ করে তিনি রাজনীতি করেছেন, তার কাছ থেকে এমন আচরণ তিনি কখনো প্রত্যাশা করেননি।
এছাড়া ৫ আগস্টের পর তার ওপর দুইবার হামলার ঘটনাও ঘটেছে বলে দাবি করেন তিনি। এসব ঘটনার পরও কোনো বিচার না পাওয়ার হতাশা থেকেই তিনি রাজনৈতিকভাবে নতুন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছেন বলে ইঙ্গিত দেন।
তার এই বক্তব্য ইতোমধ্যে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা সৃষ্টি করেছে।
আর/

