বেফাক হাইয়্যা পরীক্ষা আলাদা হওয়াতে সিস্টেম লস হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন রাজধানীর জামিয়া ইসলামিয়া লালমাটিয়া মাদরাসার মুহাদ্দিস মাওলানা খালেদুজ্জামান। তার মতে, এতে প্রচুর অর্থ, সময় ও লোকবলের অপচয় হয়।
তিনি বলেন, যেহেতু জামাত ও সাবজেক্ট সব আলাদা, তাহলে একসঙ্গে পরীক্ষাগুলো হয়ে গেলে সমস্যা হওয়ার কথা নয়। আগে তো একসঙ্গেই সব পরীক্ষা হয়েছে। বেফাক ছাড়া অন্য বোর্ডগুলোর কেন্দ্রেও সমন্বয় করে হাইয়্যার পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব। বেফাকের নেগরানী দিয়েই হাইয়্যার পরীক্ষা হয়ে যাবে।
মাওলানা খালেদুজ্জামান আরও বলেন, শুধু হাইয়্যা পরীক্ষা আলাদা নেওয়ার জন্য বেফাকসহ অন্যান্য বোর্ডগুলোর পরীক্ষাও অনেক আগে নিয়ে আসতে হয়েছে। এতে আইয়্যামে দরসের পরিমাণও কমে গেছে।
তিনি দাওরায়ে হাদিসের শিক্ষার্থীদের বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, আবার দাওরার পরীক্ষা বেফাকের পরে আলাদা হওয়াতে দাওরার ছাত্রদের পরীক্ষা রমজানের মুখোমুখি সময়ে শেষ হয়। ফলে রমজানের জন্য হাফেজ সাহেবদের স্বাচ্ছন্দ্যভাবে প্রস্তুতি নেওয়া কষ্ট হয়ে যায়।
সব মিলিয়ে একসঙ্গে পরীক্ষাগুলো হয়ে যাওয়াই সহজ বলে মত দেন তিনি। দায়িত্বশীল মুরুব্বিগণ একসাথে পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা করলে অনেক ভালো হতো বলেও মন্তব্য করেন এই মাদরাসা শিক্ষক।
উল্লেখ্য, রাজধানীর জামিয়া ইসলামিয়া লালমাটিয়া মাদরাসার মুহাদ্দিস মাওলানা খালেদুজ্জামান মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এ বিষয়ে একটি পোস্ট দেন।

