ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে নতুন ধাপের যৌথ হামলা শুরু করেছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) ও লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। রোববার (২৯ মার্চ) একযোগে চালানো এ হামলায় ইসরায়েলের শতাধিক শহরে সাইরেন বেজে ওঠে, যা দেশজুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে।
ইসরায়েলি গণমাধ্যম জানায়, উত্তরাঞ্চলে ইরানের হামলার সঙ্গে একই সময়ে হিজবুল্লাহর রকেট হামলাও শুরু হয়। ফলে ১০০টিরও বেশি শহরে সতর্ক সংকেত জারি করা হয়। কিছু ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা হলেও ধ্বংসাবশেষ হাইফা এলাকায় পড়ে বস্তুগত ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।
আইআরজিসি দাবি করেছে, ‘সানডে ডন’ নামের এ অভিযানে ৮৬টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করা হয়েছে। তারা জানায়, ইসরায়েলের বিভিন্ন এলাকা ছাড়াও ইরাক, কুয়েত, সৌদি আরব, বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। হামলার মূল লক্ষ্য ছিল যুক্তরাষ্ট্রের আকাশপথ ও ড্রোন পরিচালনা অবকাঠামো এবং অস্ত্রভাণ্ডার।
এদিকে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র প্রকাশ্যে আলোচনার কথা বললেও গোপনে সামরিক পরিকল্পনা করছে।
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের ৩০ দিন পূর্তি উপলক্ষে দেওয়া বক্তব্যে তিনি সতর্ক করে বলেন, মার্কিন সেনারা স্থলপথে প্রবেশ করলে তাদের কঠোর জবাব দেওয়া হবে।
চলমান সংঘাতে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইরান, ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র ও আঞ্চলিক শক্তিগুলোর এই সংঘাত মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের অস্থিতিশীলতা তৈরি করতে পারে।
আর/

