ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ঘিরে নতুন বিতর্কের ঝড় উঠেছে। বিজেপি নেতা সুব্রহ্মণ্যম স্বামী একাধিক নারীর এমপি ও মন্ত্রিপদ পাওয়ার পেছনে শারীরিক সম্পর্কের অভিযোগ তুলেছেন। তিনি দাবি করেছেন, দেশের প্রধানমন্ত্রী ব্যক্তিগত সম্পর্কের ভিত্তিতে একাধিক নারীকে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক পদে নিয়োগ দিয়েছেন।
এই মন্তব্যের পর হিন্দুত্ববাদী লেখিকা মধুপূর্ণিমা কিশওয়ারও সামাজিক মাধ্যমে দীর্ঘ পোস্টে একই সুরে বক্তব্য রেখেছেন।
তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী কোনো কোনো এমপিকে শারীরিক সম্পর্কের ভিত্তিতে মন্ত্রী করেছেন, সেই নামগুলি হিন্দুত্ববাদী মহলের অনেকেরই জানা। তিনি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী ও এস জয়শঙ্করের নামও উল্লেখ করে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেছেন, এবং সাবেক শিক্ষামন্ত্রী স্মৃতি ইরানির নিয়োগ প্রসঙ্গে প্রশ্ন তুলেছেন।
কিশওয়ার আরও জানিয়েছেন, ২০১৪ সালে বিদেশ সফরের সময় প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে তিনি নানা বিতর্কিত কথা শুনেছেন। দীর্ঘদিন ধরে হিন্দুত্ববাদী মতাদর্শের সমর্থক হিসেবে পরিচিত কিশওয়ার এক সময় মোদির ঘনিষ্ঠ হিসেবেও বিবেচিত ছিলেন। তাই তার এ হঠাৎ অবস্থান পরিবর্তন রাজনৈতিক মহলে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
তবে এই অভিযোগের পক্ষে এখন পর্যন্ত কোনো প্রমাণ সামনে আসেনি। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া দেয়নি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি কি শুধুই ব্যক্তিগত ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ নাকি এর পেছনে আরও বড় কোনো ইঙ্গিত রয়েছে, তা দেখার বিষয়।
রাজনৈতিক মহলে এই মন্তব্য প্রকাশের পর চাঞ্চল্য তৈরি হলেও সরকার বা শাসকদলের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া না দেওয়ায় বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে।

