মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে, যখন ইরান সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে আত্মগোপন করা মার্কিন সেনাদের ওপর বড় ধরনের সামরিক হামলার দাবি করেছে।
শনিবার (২৮ মার্চ) আলজাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, দুবাইয়ের দুটি পৃথক স্থানে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে হামলা চালানো হয়।
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) খাতাম আল-আম্বিয়া সদর দপ্তরের মুখপাত্র ইব্রাহিম জোলফাগরি তাসনিম নিউজ এজেন্সিকে জানিয়েছেন, ওই গোপন আস্তানাগুলোতে ৫০০-র বেশি মার্কিন সেনা অবস্থান করছিলেন। ইরানের শক্তিশালী আক্রমণের ভয়ে তারা মূল ঘাঁটি ছেড়ে সেখানে লুকিয়ে ছিলেন।
জোলফাগরি দাবি করেছেন, হামলায় ওই এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
তিনি মার্কিন নেতৃত্বকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কমান্ডকে বুঝতে হবে, এই অঞ্চল মার্কিন বাহিনীর জন্য কবরস্থানে পরিণত হবে। তাদের সামনে এখন আত্মসমর্পণ ছাড়া কোনো পথ খোলা নেই।”
ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর জ্যেষ্ঠ মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবোলফজল শেখারচি বলেছেন, পশ্চিম এশিয়ায় অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের ১৭টি সামরিক ঘাঁটি ইতিমধ্যে ইরান ধ্বংস করেছে।
তিনি উল্লেখ করেন, ইরান আগে কাউকে আক্রমণ না করার নীতিতে বিশ্বাসী হলেও, কেউ আক্রমণ করলে তাৎক্ষণিক ও শক্তিশালী জবাব দেওয়া হবে। ২০২৫ সালের সংঘাতের পর ইরান তাদের প্রতিরক্ষা নীতি আরও আক্রমণাত্মক কৌশলে পরিবর্তন করেছে।
শেখারচি আরও জানিয়েছেন, গত ৪৭ বছরে ইরান কোনো দেশকে আক্রমণ করেনি এবং ভবিষ্যতেও করবে না। তবে কেউ ইরানের ওপর হামলা চালালে পাল্টা আঘাত করে শত্রুকে সম্পূর্ণভাবে পরাজিত করা হবে।
আর/

