কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলায় আওয়ামী লীগ ও বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
সোমবার (২৩ মার্চ) সকাল ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে কেওয়ারজোড় ইউনিয়নের হেমন্তগঞ্জ এলাকায় সংঘর্ষ চলে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কেওয়ারজোড় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও আ.লীগ নেতা কাশেমের সমর্থকগোষ্ঠী এবং একই গ্রামের বিএনপি নেতা নজিরের অনুসারীদের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ চলছিল। সকালে দুই পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়, যা প্রায় এক ঘণ্টা ধরে চলার কারণে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
আহতদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় আসাদ (৩৫) ও কাতল মিয়া (৩০)কে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া আরও পাঁচজনকে কিশোরগঞ্জ শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকি আহতরা মিঠামইন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
মিঠামইন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিয়াকত আলী জানিয়েছেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রয়েছে। তবে নতুন করে সংঘর্ষ এড়াতে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ঈদের আগে থেকে কাশেম চেয়ারম্যানের সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্র সংগ্রহ করছিল এবং পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী ঈদের নামাজের পর হামলা চালানোর চেষ্টা ছিল। তবে সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত না হওয়ায় সোমবার সকালে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে।
আর/

