মাওলানা মাহফুজ আহমদ >>
২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের সময় আমরা প্রাতিষ্ঠানিক ছাত্র ছিলাম। আঙ্গুরা মাদরাসায় (জামিয়া মাদানিয়া আঙ্গুরা মুহাম্মদপুর, বিয়ানিবাজার, সিলেট) ‘মুখতাসার’ জামাতে পড়ি তখন। আমাদের আসনে (জকিগঞ্জ-কানাইঘাটে) শাইখুল হাদিস হযরত মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক হাফিযাহুল্লাহ তখনও খেজুর গাছ নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিলেন।
যতদূর মনে পড়ছে, শরিফগঞ্জ বাজার এবং বাবুরবাজারে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী সভায় আমিও বক্তব্য রেখেছিলাম। বরং আমাদের বারঠাকুরী গ্রামে যখন হযরত মাওলানা নির্বাচনী প্রচারণার কাজ আসেন তখন একরাত আমাদের ঘরেই রাত্রিযাপন করেন। হযরত মাওলানাকে সেদিন খুব কাছে থেকেই দেখবার সুযোগ হয়েছিলো।
ভাবছিলাম, সারাদিন ও রাত্রে নির্বাচনী ব্যস্ততা ও দৌড়ঝাঁপ শেষে তিনি ক্লান্ত হয়ে শুয়েছেন। হয়তোবা ফজরে উঠতে দেরি হবে। কিন্তু না, তিনি বরং তাহাজ্জুদের সময় থেকে সজাগ, মাশাআল্লাহ।
এবার তো দেশের বাইরে আছি। দেশের শীর্ষস্থানীয় যুগসচেতন এই প্রবীণ আলেম এবারও খেজুর গাছ নিয়ে নির্বাচনে এসেছেন। হযরতের স্পষ্টবাদিতা, অবিচলতা, দূরদর্শিতা, আপোষহীন মনোভাব এবং জনমানুষের প্রতি তার দরদ; বাস্তবিকই প্রশংসার দাবী রাখে।
আলহামদুলিল্লাহ, জকিগঞ্জ ও কানাইঘাটের কওমি ঘরনার প্রায় সব মুরব্বি ও শীর্ষস্থানীয় উলামায়ে কেরাম হযরতের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন; এটা সত্যি বেশ আশাজাগানিয়া। কাজের নাম ইসমে আজম। কে কী করলো এবং করছে; এসবের পেছনে না পড়ে সুহৃদগণ হযরতের জন্য কাজ করবেন- এটাই আমার প্রত্যাশা। আল্লাহ তায়ালা আশাতীত সফলতা দান করুন- এই কামনা করছি।
লেখক: যুক্তরাজ্য প্রবাসী বাংলাদেশী আলেম, গবেষক ও লেখক।
আবুআ/

