দীপ্ত টেলিভিশনের এক কর্মকর্তার হত্যা মামলায় অভিযুক্ত বিএনপি নেতা শেখ রবিউল আলম রবিকে দলীয় পদ থেকে স্থগিত করার পরও পুনরায় ঢাকা–১০ আসনে মনোনয়ন দেয় বিএনপি। পরবর্তীতে তিনি ওই আসন থেকে নির্বাচিত হন এবং এখন মন্ত্রী হওয়ার ঘোষণা ঘিরে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের কয়েক দিন পর, ২০২৪ সালের ১০ অক্টোবর ঢাকার রামপুরায় ফ্ল্যাটের মালিকানা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে বেসরকারি চ্যানেল দীপ্ত টিভির সম্প্রচার কর্মকর্তা ও জমির মালিক সুলতান আহমেদের ছেলে তামিম নিহত হন। এ ঘটনায় নিহতের পরিবার ১৬ জনকে আসামি করে মামলা করে। পরিবারের অভিযোগ, প্লেজেন্ট প্রোপার্টিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বিএনপি নেতা শেখ রবিউল আলম রবির নির্দেশে তার লোকজন হামলা চালায়। মামলার এজাহারে তাকে ৩ নম্বর আসামি করা হয়েছে।
হত্যা মামলায় অভিযুক্ত হওয়ার পর বিএনপি তার দলীয় পদ স্থগিত করে। এ বিষয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মো. রুহুল কবির খান বলেন, “এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা মামুন এবং বিএনপি নেতা শেখ রবিউল আলম রবির প্রাথমিক সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। তদন্ত শেষে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর বিএনপির পক্ষ থেকে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, শেখ রবিউল আলম রবিকে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয় অথবা নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী করা হতে পারে।
বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ অনলাইনে ব্যাপক সমালোচনা দেখা দিয়েছে।
আর/

