এলপিজির দাম বৃদ্ধি প্রত্যাহার করতে হবে— মাওলানা জালালুদ্দীন আহমাদ

১২ কেজির সিলিন্ডারে ২৫২ ও ৪৫ কেজিতে ৯৪৩ টাকা বাড়ানোর প্রতিবাদে মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমাদের বিবৃতি

by ABDUR RAHMAN
এলপিজির দাম বৃদ্ধি প্রত্যাহার করতে হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক | হুদহুদ নিউজ

ঢাকা: বোতলজাত এলপিজির দাম একাধিক স্তরে সর্বনিম্ন ২৫২ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৯৪৩ টাকা পর্যন্ত বাড়ানোর সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস। এই মূল্যবৃদ্ধি অবিলম্বে প্রত্যাহার করে পূর্বের নির্ধারিত মূল্য পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছেন সংগঠনের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমাদ।

বিজ্ঞাপন
banner

সোমবার (০৫ অক্টোবর) এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, “দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধিতে এমনিতেই সাধারণ মানুষ চরম চাপের মধ্যে রয়েছে। এর মধ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় জ্বালানি এলপিজির দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়ানো হলে জনজীবনে নতুন করে দুর্ভোগ সৃষ্টি হবে, যার সরাসরি প্রভাব পড়বে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষের ওপর।”

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, বিভিন্ন আকারের বোতলজাত এলপিজির দাম ২৫২ টাকা থেকে ৯৪৩ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। বিশেষ করে ১২ কেজির সিলিন্ডারে ২৫২ টাকা এবং ৪৫ কেজির সিলিন্ডারে ৯৪৩ টাকা দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ ভোক্তাদের ওপর অতিরিক্ত ব্যয়ের চাপ তৈরি হবে।

মাওলানা জালালুদ্দীন আহমাদ বলেন, এলপিজি দেশের বিপুলসংখ্যক মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় জ্বালানি। এর দাম বাড়লে রান্নার খরচের পাশাপাশি পরিবহনসহ বিভিন্ন খাতের ব্যয়ও বাড়বে, যা সামগ্রিক বাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

বাজারে তদারকির অভাব তুলে ধরে তিনি বলেন, সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়েও বেশি দামে এলপিজি বিক্রির অভিযোগ দীর্ঘদিনের। শুধু মূল্য নির্ধারণ করলেই হবে না, নির্ধারিত মূল্যে পণ্য বিক্রি হচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করতে হবে। জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মাধ্যমে বাজারে কার্যকর নজরদারি জোরদার এবং অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

জনগণের ওপর অতিরিক্ত ব্যয়ের বোঝা না চাপিয়ে জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান খেলাফত মজলিসের এই নেতা।

banner

এ জাতীয় আরো সংবাদ