অনলাইন ডেস্ক | হুদহুদ নিউজ
ভোলা জেলা সমাজকল্যাণ কার্যালয়ের আওতায় পরিচালিত কম্পিউটার বেসিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির অংশগ্রহণকারী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ধর্মীয় বৈষম্যের অভিযোগ উঠেছে। প্রকাশিত অংশগ্রহণকারীদের তালিকায় অধিকাংশই হিন্দু ধর্মাবলম্বী হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।
অভিযোগকারীদের দাবি, প্রশিক্ষণের জন্য আবেদন করা অনেক মুসলিম প্রার্থীকে নির্বাচন করা হয়নি। তাদের অভিযোগ, প্রকাশিত তালিকায় প্রায় শতভাগ অংশগ্রহণকারী হিন্দু সম্প্রদায়ের হওয়ায় নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোলা জেলা সমাজকল্যাণ কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন রজত শুভ্র সরকার। অভিযোগকারীদের একাংশ দাবি করছেন, নির্বাচন প্রক্রিয়ায় ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট জেলা সমাজকল্যাণ কর্মকর্তার বক্তব্য জানতে চেষ্টা করা হলেও এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তার কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। একই সঙ্গে সমাজকল্যাণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।
যদি অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হয়, তবে তা সংবিধানে নিশ্চিত সমতা ও বৈষম্যহীনতার নীতির পরিপন্থী হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সরকারি প্রশিক্ষণ, নিয়োগ কিংবা সুযোগ-সুবিধা বণ্টনের ক্ষেত্রে ধর্ম, বর্ণ বা ব্যক্তিগত পরিচয়ের পরিবর্তে যোগ্যতা ও নির্ধারিত নীতিমালাই অনুসরণ করা উচিত বলে মত প্রকাশ করেছেন তারা।
এদিকে বিষয়টির নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে জনমনে সৃষ্টি হওয়া প্রশ্নের অবসান ঘটানোর আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
আর/

