অনলাইন ডেস্ক | হুদহুদ নিউজ
কুড়িগ্রামের রাজারহাটে ইসলামী ছাত্রশিবিরের দুই নেতার ওপর ছাত্রদল নেতাকর্মীদের হামলার অভিযোগ উঠেছে। এতে এক শিবির নেতার মাথা ফেটে যাওয়ায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
রোববার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলা শহরের রাজারহাট স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন— রাজারহাট উপজেলা পশ্চিম থানা ছাত্রশিবিরের সভাপতি সুজন মিয়া এবং জেলা স্কুল বিভাগের বাইতুল মাল সম্পাদক সামিদ সাকি মাহিন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফেসবুকে পোস্ট ও মন্তব্য এবং এক শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের নেতাকে অবরুদ্ধ করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়। এ সময় শিবির নেতারা ঘটনাস্থলে গেলে আগে থেকেই অবস্থান নেওয়া ছাত্রদল নেতাকর্মীদের সঙ্গে তাদের কথা কাটাকাটি হয়।
অভিযোগ অনুযায়ী, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক রুবেল পাটোয়ারি, সদস্য সচিব মিজানুর রহমান সাদ্দাম, কলেজ শাখা ছাত্রদল সভাপতি সোহাগ, সেক্রেটারি নাছিম ও নেতা আল মিজান মাহিনসহ কয়েকজন অতর্কিত হামলা চালায়। এতে সুজন মিয়ার মাথা ফেটে যায় এবং মাহিনও আহত হন।
আহত শিবির নেতা মাহিন অভিযোগ করে বলেন, তারা মোটরসাইকেলে ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর দেশীয় অস্ত্রসহ ছাত্রদল নেতাকর্মীরা তাদের ওপর হামলা চালায়। তিনি আরও অভিযোগ করেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত থাকলেও তারা কার্যকর কোনো ভূমিকা নেয়নি। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক রুবেল পাটোয়ারি। তিনি দাবি করেন, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের এক নেতার ফেসবুক পোস্ট নিয়ে কথা বলতে গেলে শিবির নেতারা উত্তেজনা সৃষ্টি করে এবং পরে পরিস্থিতি সংঘর্ষে রূপ নেয়।
অন্যদিকে, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের নেতা রুবেল মিয়া অভিযোগগুলোকে ভিত্তিহীন দাবি করে বলেন, তিনি কোনো উস্কানিমূলক পোস্ট দেননি। বরং তাকে অবরুদ্ধ করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
এ বিষয়ে রাজারহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুনুর রশীদ বলেন, ফেসবুক পোস্ট ও মন্তব্যকে কেন্দ্র করে হামলার ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলেও কাউকে পাওয়া যায়নি। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
আর/

