ইরানে চলমান সামরিক অভিযানের দায় নিজের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের ওপর চাপানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
তিনি দাবি করেছেন, ইরানে হামলার পক্ষে প্রথম সমর্থন দিয়েছিলেন তার প্রতিরক্ষামন্ত্রীই।
সোমবার (২৩ মার্চ) টেনেসির মেমফিসে ‘মেমফিস সেফ টাস্ক ফোর্স’–এর এক গোলটেবিল বৈঠকে ট্রাম্প এ মন্তব্য করেন। বৈঠকে হেগসেথ তার পাশেই উপস্থিত ছিলেন।
ট্রাম্প বলেন, “পিটই প্রথম বলেছিলেন—চলুন এটা করি, কারণ তাদের হাতে পারমাণবিক অস্ত্র যেতে দেওয়া যাবে না।”
একই সঙ্গে ট্রাম্প প্রতিরক্ষামন্ত্রীর প্রশংসাও করেন এবং জানান, ইরানে সামরিক পদক্ষেপের অন্যতম প্রধান সমর্থক ছিলেন হেগসেথ। ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে শুরু হওয়া এই অভিযান এখন চতুর্থ সপ্তাহে গড়িয়েছে।
এদিকে হেগসেথ পেন্টাগনের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি, ড্রোন উৎপাদন ও নৌ সক্ষমতাকে লক্ষ্য করে অভিযান চালাচ্ছে। তবে অভিযান শেষের কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়নি বলে জানান তিনি।
অন্যদিকে, এই যুদ্ধ নিয়ে মার্কিন প্রশাসনের ভেতরেও মতভেদ রয়েছে বলে জানা গেছে। ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স তুলনামূলকভাবে কম আগ্রহী ছিলেন, আর ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ট্রাম্পকে যুদ্ধে সম্পৃক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সূত্র: দ্য হিল, ইকোনোমিক টাইমস

