বিশ্বজুড়ে ইসলামি জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চা ও প্রচার-প্রসারে অন্যতম ভূমিকা পালন করে থাকে পৃথিবীর নানা প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা কওমি মাদরাসা। প্রতি বছর মুসলমানদের বিপুল সংখ্যক সন্তান কওমি মাদরাসায় লেখাপড়া করে ইসলামি সহিহ জ্ঞান অর্জন করে থাকে। উলামায়ে কেরাম স্বার্থহীনভাবে কুরআন-হাদিসের সঠিক জ্ঞান প্রসারের জন্য পার্থিব সুযোগ সুবিধা ছেড়ে মাদরাসার শিক্ষাব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখার সংগ্রামে নিয়োজিত থাকেন। সর্বসাধারণ আপামর মুসলমানদের বিশুদ্ধ ইসলামি জ্ঞানে আলোকিত করতে কওমি মাদরাসার ভূমিকা অপরিসীম।
পবিত্র রমজান মাস চলছে। এ মাসে আল্লাহর পক্ষ থেকে বিশেষ রহমান-বরকত নাজিল হয়। অধিক সওয়াবের আশায় ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণ এ মাসে বেশি দান-সদকা ও জাকাত-ফিতরা আদায় করে থাকেন।
কওমি মাদরাসার উপরোক্ত ভূমিকার কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশের সুপরিচিত ইসলামি স্কলার শায়খ আহমাদুল্লাহ কওমি মাদরাসায় দান করতে সকলের প্রতি আহবান জানিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে তিনি আহবান জানিয়ে লিখেছেন, `শত বছর ধরে মাদরাসা শিক্ষাব্যবস্থা দ্বীনের সুরক্ষা এবং সৎ ও আদর্শবান নাগরিক তৈরিতে নিরলস ভূমিকা রেখে চলেছে। এই রমাদানে আপনার গরিব আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশী ও অন্যান্য দাতব্য সংস্থার পাশাপাশি মাদরাসাগুলোর প্রতি বিশেষভাবে লক্ষ রাখুন। বিশেষত যেসব মাদরাসায় এতিম ও দুস্থ শিক্ষার্থী রয়েছে, সাধ্যমতো সেখানে দান করুন। আসুন, দ্বীনের এই দূর্গগুলো রক্ষার এই মহান মিশনে আমরা সবাই শামিল হই।’
আবুআ/

