মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ চালিয়ে যেতে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ব্যক্তিগতভাবে আহ্বান জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুবরাজ এই সামরিক অভিযানকে মধ্যপ্রাচ্যকে নতুনভাবে গড়ার একটি ‘ঐতিহাসিক সুযোগ’ হিসেবে দেখছেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক একাধিক ফোনালাপে মোহাম্মদ বিন সালমান ট্রাম্পকে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের চলমান সামরিক পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা আনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আরও ইরানের কট্টরপন্থি সরকারের অবসান ঘটানোর ওপর জোর দিয়েছেন, কারণ তার মতে ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলের দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি।
তবে সৌদি আরবের সরকারি অবস্থান ভিন্ন। দেশটির কর্মকর্তারা প্রকাশ্যে জানিয়েছেন, তারা সংঘাতের শান্তিপূর্ণ সমাধান চান এবং দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধে যুক্ত হতে আগ্রহী নন। বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরান সম্পূর্ণভাবে দুর্বল হলে অঞ্চল আরও অস্থিতিশীল হয়ে উঠতে পারে।
এদিকে ট্রাম্প প্রশাসন একদিকে আলোচনার ইঙ্গিত দিয়েছে, অন্যদিকে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা বা খারগ দ্বীপ দখলের মতো কঠোর পদক্ষেপও বিবেচনা করছে। তবে দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র জড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা নিয়ে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উদ্বিগ্ন।
বিশ্লেষকদের মতে, এই অবস্থার কারণে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত আরও অনিশ্চিত হয়ে উঠেছে এবং আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতার ঝুঁকি বৃদ্ধি পেয়েছে। ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ‘কার্যকর আলোচনা’ হয়েছে, যদিও ইরান এই দাবিকে অস্বীকার করেছে।
সূত্র: দ্য নিউইয়র্ক টাইমস

