যুদ্ধ কখন এবং কীভাবে শেষ হবে—সেই সিদ্ধান্ত নেবে ইরান নিজেই। এমন মন্তব্য করেছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি।
রোববার (১ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর পূর্ব ও পশ্চিমে দুই দশকের পরাজয় থেকে শিক্ষা নিয়েছে ইরান। তার এই বক্তব্যে মূলত ইরাক ও আফগানিস্তান যুদ্ধের প্রসঙ্গ উঠে আসে।
“আমাদের রাজধানীতে বোমা হামলা আমাদের যুদ্ধ পরিচালনার সক্ষমতায় কোনো প্রভাব ফেলবে না,” —লেখেন আরাঘচি।
“বিকেন্দ্রীভূত মোজাইক প্রতিরক্ষা কাঠামোর কারণে কখন এবং কীভাবে যুদ্ধ শেষ হবে, তা আমরাই নির্ধারণ করব।”
কূটনৈতিক প্রেক্ষাপট
গত কয়েক সপ্তাহ ধরে তেহরান ও যুক্তরাষ্ট্র-এর মধ্যে পরোক্ষ পারমাণবিক আলোচনা চলছিলো। ওমান-এর মধ্যস্থতায় শুরু হওয়া এই সংলাপে জেনেভায় সর্বশেষ বৈঠকে ‘উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি’র কথা জানিয়েছিল উভয় পক্ষ।
তবে ২৮ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে সামরিক হামলা শুরু করলে পরিস্থিতি নতুন মোড় নেয়। ফলে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা এখন অনিশ্চয়তায়।
হতাহত ও উত্তেজনা বৃদ্ধি
ইরানের দাবি অনুযায়ী, হামলায় ইসলামী বিপ্লবের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন। এছাড়া কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সামরিক কমান্ডার ও শতাধিক বেসামরিক নাগরিকের মৃত্যুর খবরও জানিয়েছে তেহরান।
‘অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪’
এর জবাবে ‘অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪’ নামে সামরিক অভিযান শুরু করেছে ইরান। এতে ইসরায়েলি লক্ষ্যবস্তু এবং অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে।
আর/

