ইজতেমা ও স্থানীয় নির্বাচন এক ফ্রেমে না ফেলার আবেদন, নির্বাচন কমিশনকে তাবলিগ জামাতের চিঠি

ইজতেমার ভাবগাম্ভীর্য, বিপুল জনসমাগম ও প্রশাসনিক ব্যবস্থার সুবিধার্থে গাজীপুর স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সময়সূচি পেছানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে।

by ABDUR RAHMAN
ইজতেমা ও স্থানীয় নির্বাচন এক ফ্রেমে না ফেলার আবেদন

অনলাইন ডেস্ক | হুদহুদ নিউজ

আগামী ২০২৭ সালের টঙ্গী বিশ্ব ইজতেমার সূচির কথা মাথায় রেখে গাজীপুর স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করার অনুরোধ জানিয়েছে তাবলিগ জামাত বাংলাদেশ। বিশ্ব ইজতেমা ও নির্বাচন একসঙ্গে অনুষ্ঠিত হলে প্রশাসনিক জটিলতা ও নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হতে পারে—এমন আশঙ্কা থেকেই প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রস্তাব পেশ করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
banner

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) নির্বাচন কমিশন সূত্রে চিঠি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। কাকরাইল তাবলিগ মারকাজ ট্রাস্টের চেয়ারম্যান ও আহলে শুরা সদস্য মাওলানা মোহাম্মদ জুবায়েরের স্বাক্ষরিত এক আবেদনপত্রে এ দাবি জানানো হয়।

আবেদনপত্রে স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়, বিশ্ব ইজতেমা মুসলিম বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম ধর্মীয় জমায়েত। এর সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে এক অনন্য মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করেছে। ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ৮ থেকে ১০ জানুয়ারি প্রথম পর্ব এবং ১৫ থেকে ১৭ জানুয়ারি দ্বিতীয় পর্বের ইজতেমা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ইজতেমা চলাকালে টঙ্গী ও তার আশপাশের এলাকায় দেশ-বিদেশের লাখ লাখ মুসল্লির সমাগম ঘটে। এই বিশাল আয়োজন নির্বিঘ্ন করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ এবং সার্বিক নিরাপত্তার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ব্যাপক প্রস্তুতি নিতে হয়। ঠিক একই সময়ে গাজীপুরে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের ওপর অতিরিক্ত মানসিক ও শারীরিক চাপ সৃষ্টি হবে।

দুই আয়োজনের মধ্যে সময়ের উপযুক্ত ব্যবধান রাখা হলে প্রশাসনিক সমন্বয় সহজ হবে এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কমবে বলে মনে করছে সংগঠনটি। এতে নির্বাচন ও ইজতেমা—উভয় কার্যক্রমই সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।

বিশ্ব ইজতেমার মতো আন্তর্জাতিক ধর্মীয় সমাবেশ সফলভাবে সম্পন্ন করতে নির্বাচন কমিশন ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেছে তাবলিগ জামাত। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন দ্রুতই ইতিবাচক ও বিবেচনাধীন সিদ্ধান্ত নেবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

আর/

banner

এ জাতীয় আরো সংবাদ